টেকনো ক্যামন ২০দাম কত

টেকনো ক্যামন ২০ একটি স্টাইলিশ ও বাজেট-ফ্রেন্ডলি স্মার্টফোন, যা ২০২৩ সালের মে মাসে বাজারে আসে। ফোনটিতে আছে শক্তিশালী ৮ জিবি র‍্যাম ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজ, যা সহজেই দৈনন্দিন কাজ থেকে শুরু করে হেভি অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা দেবে। এর ৬.৬৭ ইঞ্চি ফুল এইচডি+ ডিসপ্লে, আধুনিক ডিজাইন ও গরিলা গ্লাস প্রোটেকশন ফোনটিকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। ৬৪ মেগাপিক্সেল প্রধান ক্যামেরা এবং ৩২ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা ফটোগ্রাফি প্রেমীদের জন্য দারুণ অভিজ্ঞতা দেবে। পাশাপাশি ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ও ৩৩ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং দীর্ঘ সময় ব্যবহার নিশ্চিত করে। স্প্ল্যাশপ্রুফ ডিজাইন, আইপি৫৩ রেটিং এবং আধুনিক কানেক্টিভিটি ফিচারসহ এই ফোনটি তার দামের মধ্যে বেশ ভালো একটি অপশন।

টেকনো-ক্যামন-২০-দাম-কত

টেকনো ক্যামন ২০দাম কত বাংলাদেশ মার্কেটে

টেকনো ক্যামন ২০ এই মোবাইলটি আশা করা যাচ্ছে বাংলাদেশ মার্কেটে, অফিসিয়াল ভাবে এর দাম ধরা হয়েছে ১৮,৯৯৯ টাকা মাত্র।

টেকনো ক্যামন ২০ ওভারভিউ

টেকনো ক্যামন ২০ একটি স্টাইলিশ এবং আধুনিক স্মার্টফোন, যা ২০২৩ সালের মে মাসে বাজারে এসেছে। এই ফোনটি বিশেষ করে তাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে যারা মাঝারি বাজেটে ভালো ফিচার খুঁজছেন। ফোনটির ডিজাইন আকর্ষণীয় এবং এটি হাতে নিলেই প্রিমিয়াম অনুভূতি দেয়।

প্রথমেই আসা যাক এর ডিসপ্লের কথায়। টেকনো ক্যামন ২০-তে রয়েছে ৬.৬৭ ইঞ্চির ফুল এইচডি+ AMOLED টাচস্ক্রিন। স্ক্রিনের রঙ উজ্জ্বল, কনট্রাস্ট সুন্দর এবং ভিডিও বা গেম খেলার সময় একেবারেই স্পষ্ট ভিজ্যুয়াল পাওয়া যায়। ডিসপ্লেতে ব্যবহার করা হয়েছে গরিলা গ্লাস, যা দৈনন্দিন ব্যবহারে সুরক্ষা দেয়। এছাড়াও ২০:৯ আসপেক্ট রেশিও ও ৮৭% স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও ফোনটিকে আরও আধুনিক করে তুলেছে।

ক্যামেরা সেগমেন্টে এই ফোনটি অনেকটাই এগিয়ে। পিছনে রয়েছে ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ—৬৪ মেগাপিক্সেল প্রধান সেন্সর, ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সর এবং একটি কিউভিজিএ সেন্সর। এটি PDAF, রিং-এলইডি ফ্ল্যাশ, HDR এবং বিভিন্ন শুটিং মোড সাপোর্ট করে। ফলে কম আলোতেও ভালো ছবি তোলা সম্ভব। সামনে রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা, যা ডুয়াল LED ফ্ল্যাশসহ আসে। সেলফি এবং ভিডিও কলিংয়ের জন্য এটি বেশ চমৎকার। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে সামনে এবং পিছনের ক্যামেরা দুটোই ফুল এইচডি রেকর্ডিং সাপোর্ট করে।

পারফরম্যান্সের দিক থেকেও টেকনো ক্যামন ২০ নিরাশ করে না। এতে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও G85 চিপসেট, যার সাথে আছে অক্টা-কোর সিপিইউ এবং মালি-G52 জিপিইউ। দৈনন্দিন কাজ, মাল্টিটাস্কিং এবং মাঝারি মানের গেম খেলার জন্য এটি যথেষ্ট শক্তিশালী। ফোনটিতে ৮ জিবি র‍্যাম এবং ২৫৬ জিবি স্টোরেজ দেওয়া হয়েছে, যা আরও বাড়ানো যাবে মাইক্রোএসডি কার্ডের মাধ্যমে (সর্বোচ্চ ১ টেরাবাইট পর্যন্ত)।

ব্যাটারির দিক থেকেও এটি একটি শক্তিশালী ফোন। ৫০০০ এমএএইচ লি-পলিমার ব্যাটারি সহজেই একদিনের বেশি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। এর সাথে রয়েছে ৩৩ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং, যা মাত্র ৩০ মিনিটে প্রায় ৫০% চার্জ পূরণ করতে পারে। ফলে দীর্ঘক্ষণ চার্জ নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।

সিকিউরিটি ফিচার হিসেবে ফোনটিতে রয়েছে ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ফেস আনলক সুবিধা। এছাড়াও লাইট সেন্সর, প্রোক্সিমিটি সেন্সর, জাইরোস্কোপ এবং কম্পাসের মতো দরকারি সেন্সরও রয়েছে।

কানেক্টিভিটির দিক থেকে ফোনটি বেশ ভালো। এখানে রয়েছে ডুয়াল সিম সাপোর্ট, ৪জি নেটওয়ার্ক, VoLTE, Wi-Fi 5, ব্লুটুথ ৫.০ এবং জিপিএস। পাশাপাশি ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট, ৩.৫ মিমি অডিও জ্যাক এবং ডিটিএস সাউন্ড সাপোর্টেড স্টেরিও স্পিকার ব্যবহারকারীদের অডিও এক্সপেরিয়েন্স আরও উন্নত করে।

ডিজাইনের দিক থেকে ফোনটির গ্লাস ফ্রন্ট ও প্লাস্টিক বডি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি তিনটি রঙে পাওয়া যায়—Predawn Black, Glacier Glow এবং Serenity Blue। ফোনটি IP53 সার্টিফাইড হওয়ায় এটি স্প্ল্যাশপ্রুফ ও ডাস্টপ্রুফ।

টেকনো ক্যামন ২০ এর সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন

ক্যাটাগরি স্পেসিফিকেশন
ব্র্যান্ড টেকনো
মডেল ক্যামন ২০
ডিভাইস টাইপ স্মার্টফোন
রিলিজ তারিখ ৯ মে ২০২৩
স্ট্যাটাস বাজারে উপলব্ধ
অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ১৩ (HiOS)
চিপসেট মিডিয়াটেক হেলিও G85 (12 nm)
সিপিইউ অক্টা-কোর (২.০ গিগাহার্জ ডুয়াল কোর Cortex-A75 + ১.৮ গিগাহার্জ হেক্সা কোর Cortex-A55)
জিপিইউ মালি-G52 MC2
র‌্যাম ৮ জিবি (LPDDR4X)
ইন্টারনাল স্টোরেজ ২৫৬ জিবি (UFS 2.2)
এক্সপ্যান্ডেবল স্টোরেজ সর্বোচ্চ ১ টেরাবাইট (MicroSD)
ডিসপ্লে টাইপ AMOLED
ডিসপ্লে সাইজ ৬.৬৭ ইঞ্চি (১৬.৯৪ সেমি)
রেজোলিউশন ফুল এইচডি+ (১০৮০ × ২৪০০ পিক্সেল)
অ্যাসপেক্ট রেশিও ২০:৯
পিক্সেল ডেনসিটি ৩৯৫ পিপিআই
বডি রেশিও ৮৬.৯৯%
স্ক্রিন প্রটেকশন গরিলা গ্লাস
রিফ্রেশ রেট ৬০ হার্জ
উজ্জ্বলতা ৫০০ নিটস
প্রাইমারি ক্যামেরা ৬৪ এমপি (f/1.7, PDAF) + ২ এমপি ডেপথ + ০.০৮ এমপি QVGA
ক্যামেরা ফিচার রিং-এলইডি ফ্ল্যাশ, HDR, 10x ডিজিটাল জুম, বোকেহ ভিডিও, কাস্টম ওয়াটারমার্ক
ভিডিও রেকর্ডিং (রিয়ার) ফুল এইচডি (২০৪৮ × ১১৫২ পিক্সেল), ৩০fps
সেলফি ক্যামেরা ৩২ এমপি (f/2.5, ডুয়াল LED ফ্ল্যাশ)
ভিডিও রেকর্ডিং (ফ্রন্ট) ফুল এইচডি, ৩০fps
ব্যাটারি টাইপ লি-পলিমার (Li-Po)
ব্যাটারি ক্যাপাসিটি ৫০০০ এমএএইচ
ফাস্ট চার্জিং ৩৩ ওয়াট (৩০ মিনিটে ~৫৩% চার্জ)
ইউএসবি টাইপ USB Type-C 2.0
নেটওয়ার্ক ২জি, ৩জি, ৪জি (VoLTE সাপোর্টেড)
সিম স্লট ডুয়াল সিম (Nano + Nano)
ওয়াই-ফাই Wi-Fi 5 (802.11 a/b/g/n/ac, 5GHz)
ব্লুটুথ v5.0
জিপিএস A-GPS সহ
সেন্সর লাইট সেন্সর, প্রোক্সিমিটি সেন্সর, অ্যাক্সিলারোমিটার, কম্পাস, জাইরোস্কোপ
ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ইন-ডিসপ্লে অপটিক্যাল
ফেস আনলক রয়েছে
অডিও স্টেরিও স্পিকার, DTS সাউন্ড, ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক
অতিরিক্ত ফিচার FM রেডিও, Always-on Display, ডকুমেন্ট রিডার
বডি ডাইমেনশন উচ্চতা: ১৬২.৭১ মিমি, প্রস্থ: ৭৫.৮৯ মিমি, পুরুত্ব: ৭.৮২ মিমি
ওজন ১৯০ গ্রাম
বিল্ড গ্লাস ফ্রন্ট, প্লাস্টিক বডি
রঙ Predawn Black, Glacier Glow, Serenity Blue
ওয়াটারপ্রুফ স্প্ল্যাশপ্রুফ (IP53), ডাস্টপ্রুফ
উৎপাদনকারী দেশ চীন

ভালো দিক 

  1. স্টাইলিশ ডিজাইন ও AMOLED ডিসপ্লে – ৬.৬৭ ইঞ্চি ফুল এইচডি+ AMOLED স্ক্রিন রঙিন ও স্পষ্ট ভিজ্যুয়াল দেয়।
  2. প্রচুর স্টোরেজ – ৮ জিবি র‍্যাম ও ২৫৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ, এছাড়া ১ টেরাবাইট পর্যন্ত এক্সপ্যান্ডেবল মেমোরি সাপোর্ট।
  3. ভালো ক্যামেরা পারফরম্যান্স – ৬৪ এমপি ট্রিপল ব্যাক ক্যামেরা ও ৩২ এমপি ফ্রন্ট ক্যামেরা HDR, নাইট মোড ও বোকেহ ভিডিও সাপোর্ট করে।
  4. দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি – ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি সহজেই একদিন বা তারও বেশি ব্যাকআপ দেয়।
  5. ফাস্ট চার্জিং – ৩৩ ওয়াট ফ্ল্যাশ চার্জিং, মাত্র ৩০ মিনিটে প্রায় ৫৩% চার্জ।
  6. ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফেস আনলক – দ্রুত এবং আধুনিক সিকিউরিটি ফিচার।
  7. অডিও এক্সপেরিয়েন্স ভালো – স্টেরিও স্পিকার এবং DTS সাউন্ড সাপোর্ট।
  8. IP53 রেটিং – স্প্ল্যাশপ্রুফ ও ডাস্টপ্রুফ, যা ফোনকে দৈনন্দিন ব্যবহারে টেকসই করে।

 দুর্বল দিক 

  1. প্রসেসর তুলনামূলক সাধারণ – মিডিয়াটেক হেলিও G85 চিপসেট ভালো হলেও হেভি গেমিং বা হাই পারফরম্যান্স টাস্কের জন্য যথেষ্ট নয়।
  2. ৬০ হার্জ রিফ্রেশ রেট – ডিসপ্লেতে শুধুমাত্র ৬০Hz রিফ্রেশ রেট থাকায় স্ক্রলিং ও গেমিং অভিজ্ঞতা আরও স্মুথ হতো যদি ৯০Hz বা ১২০Hz থাকত।
  3. প্লাস্টিক বডি – ব্যাক সাইড প্লাস্টিক হওয়ায় প্রিমিয়াম ফোনের মতো ফিল পাওয়া যায় না।
  4. ৫জি সাপোর্ট নেই – শুধুমাত্র ৪জি নেটওয়ার্ক সাপোর্ট করে, ভবিষ্যতের জন্য সীমাবদ্ধতা।
  5. ভিডিও রেকর্ডিং সীমিত – সর্বোচ্চ ফুল এইচডি (1080p@30fps), যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী ফোনগুলোতে 4K সাপোর্ট পাওয়া যায়।

টেকনো ক্যামন ২০ ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা

টেকনো ক্যামন ২০ মূলত এমন একটি স্মার্টফোন যা মাঝারি বাজেটে ভালো পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম। এর ডিজাইন একদম প্রিমিয়াম লুকের মতো এবং হাতে নিলেই ব্যবহারকারীর কাছে আলাদা অনুভূতি তৈরি করে। বড় ৬.৬৭ ইঞ্চি ফুল এইচডি+ AMOLED ডিসপ্লে রঙকে আরও উজ্জ্বল ও স্পষ্ট করে তোলে, ফলে ভিডিও দেখা, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কিংবা ব্রাউজিং করার সময় অভিজ্ঞতা হবে আরও উপভোগ্য।

পারফরম্যান্সের দিক থেকে ফোনটিতে রয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও G85 প্রসেসর, ৮ জিবি র‍্যাম এবং ২৫৬ জিবি স্টোরেজ। দৈনন্দিন কাজ যেমন ইন্টারনেট ব্রাউজিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার, ভিডিও দেখা বা হালকা গেম খেলার জন্য ফোনটি বেশ স্মুথ অভিজ্ঞতা দেবে। তবে যারা ভারী গেম খেলতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য পারফরম্যান্স মাঝেমধ্যে সীমাবদ্ধ মনে হতে পারে।

ক্যামেরার অভিজ্ঞতা নিয়েও বলা যায় এটি দামের মধ্যে চমৎকার। ৬৪ মেগাপিক্সেল মূল ক্যামেরা ও ৩২ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা ভালো আলোতে স্পষ্ট ও ডিটেইলড ছবি তোলে। সেলফি ক্যামেরাতেও ডুয়াল ফ্ল্যাশ থাকায় অল্প আলোতেও পরিষ্কার ছবি পাওয়া যায়। ভিডিও রেকর্ডিং ফুল এইচডি মানে সীমাবদ্ধ, তবে সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য তা যথেষ্ট।

ব্যাটারি পারফরম্যান্স ব্যবহারকারীদের কাছে একটি বড় সুবিধা। ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি সহজেই একদিন থেকে দেড় দিন পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে পারে। এছাড়াও ৩৩ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকায় অল্প সময়ে দ্রুত চার্জ করে নেওয়া যায়, যা ব্যস্ত ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই সহায়ক।

অডিও অভিজ্ঞতাও ভালো কারণ ফোনটিতে রয়েছে স্টেরিও স্পিকার এবং DTS সাউন্ড সিস্টেম। গেম খেলা, গান শোনা বা ভিডিও দেখার সময় সাউন্ড কোয়ালিটি ব্যবহারকারীদের সন্তুষ্ট করবে। একইসাথে ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ফেস আনলক ফোনটিকে আরও নিরাপদ ও আধুনিক করেছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, টেকনো ক্যামন ২০ ব্যবহারকারীদের জন্য একটি ব্যালান্সড অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে। যারা ভালো ক্যামেরা, সুন্দর ডিসপ্লে, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি এবং পর্যাপ্ত স্টোরেজ চান, তাদের জন্য এটি দারুণ একটি স্মার্টফোন। তবে যারা হাই-গ্রাফিক্স গেম খেলতে চান বা ৫জি নেটওয়ার্ক খুঁজছেন, তাদের কাছে এটি কিছুটা সীমাবদ্ধ মনে হতে পারে।

উপসংহার

টেকনো ক্যামন ২০ মূলত একটি বাজেট-ফ্রেন্ডলি স্মার্টফোন, যা ডিজাইন, ক্যামেরা, ডিসপ্লে এবং ব্যাটারি পারফরম্যান্সের কারণে সহজেই নজর কেড়ে নিতে পারে। যারা দৈনন্দিন ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়া, ছবি তোলা এবং দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ চান, তাদের জন্য এই ফোনটি একটি ভালো বিকল্প। বিশেষ করে AMOLED ডিসপ্লে, ৬৪ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ও বড় ব্যাটারি এটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

তবে ৫জি নেটওয়ার্কের অভাব এবং ভারী গেমিং পারফরম্যান্সে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবুও দামের দিক থেকে এটি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সম্পূর্ণ প্যাকেজ, যা নিরাশ করবে না।

Leave a Reply