আজকে আমি আপনাদের সাথে কথা বলব নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার নিয়ম নিয়ে।
অনেকেই আছেন যারা ২০২৫ সালে নতুন পাসপোর্ট তৈরি করার কথা ভাবছেন তাদের জন্যই আজকের এই ভিডিও।
এখন আপনি খুব সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন, আর ঘরে বসেই পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবেন।
আমি ধাপে ধাপে দেখাবো কিভাবে আবেদন ফর্ম পূরণ করবেন, কী কী ডকুমেন্ট লাগবে, আর কিভাবে পেমেন্ট করবেন নিরাপদভাবে।
তাই যদি আপনি ২০২৫ সালে নতুন পাসপোর্ট করতে চান, তাহলে ভিডিওটা শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে দেখুন।
চলুন শুরু করা যাক!

তাছাড়াও কিভাবে আপনি সঠিক ভাবে আপনার পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন করবেন এবং পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য আপনাকে কত টাকা পেমেন্ট করতে হবে এবং কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে। সকল কিছু বিস্তারিত আলোচনা করবো আজকের পোস্টে। তাই ধৈর্য সহকারে আজকের পোস্টটি পড়ার অনুরোধ রইল।
নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন
নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করার জন্য সর্বপ্রথম আপনার মোবাইল অথবা কম্পিউটার থেকে যেকোনো ব্রাউজার ওপেন করুন এবং সার্চবারে E-Passport.gov.bd লিখে সার্চ করুন। তাহলে আপনাকে ই-পাসপোর্টের মেইন ওয়েবসাইটে নিয়ে যাবে। এবং আপনার সামনে এমন একটি ইন্টারফেজ ওপেন হবে। এখন আপনি সেখানে কয়েকটি অপশন দেখতে পাবেন।

তাহলে আপনি প্রথম অপশন অর্থাৎ, ‘Apply Online for e-Passport/Re-issue’ অপশনে নিচে থেকে ‘Directly to online Application’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী অপশনে নিয়ে যাবে এবং সেখানে একটি নতুন পেইজ ওপেন হবে। যেমন:
- Country
- District এবং
- Thana
এখন উপরে উল্লেখিত অপশন গুলো সঠিকভাবে পূরণ করা হয়ে গেলে নিচে থেকে ‘Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তারপরে পরবর্তী অপশনে আপনার নতুন একটি ইমেইল এড্রেস বসিয়ে দিন। যে ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করে আগে ই-পাসপোর্ট তৈরি করা হয়নি। তারপরে ‘I am human’ বস্কে টিক চিহ্ন দিয়ে ‘Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে। এখন প্রথমেই আপনাকে একটি পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে।
যে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আপনি পরবর্তীতে এই একাউন্টে ‘লগইন’ করতে পারেন। তাহলে Password এবং Repeat password অপশনে একই পাসওয়ার্ড বসিয়ে দিন। তাঁরপরে নিচে ‘Personal information’ নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন এবং সেখানে অনেকগুলো অপশন থাকবে। যেমন:
- Full Name
- Given Name (Optional)
- Surname এবং
- Mobile Number
এখন আপনি উপরের অপশনগুলো সঠিক লিখুন এবং নিচে থেকে ‘I am human’ বস্কে টিক চিহ্ন দিয়ে ‘Create Account’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে এবং আপনার ইমেইল একটি ভেরিফিকেশন মেইল যাবে। এখন আপনি ইমেইল থেকে ভেরিফিকেশন লিংকে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার ই- পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে একাউন্ট খোলা সম্পূর্ণ হবে।
এখন আপনি ‘Sign in’ অপশনে ক্লিক করে আপনার একাউন্টে ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে নিচে থেকে ‘I am human’ অপশনে ক্লিক করে ‘Sign in’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে পরবর্তী অপশনে দুটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Account এবং
- Apply For a New e-Passport
এখন আপনি ‘Apply For a New e-Passport’ অপশনে ক্লিক করুন। আর আপনারা যারা এমআরপি পাসপোর্ট থেকে ই- পাসপোর্ট তৈরি করবেন। তারা সেম নিয়মটি ফলো করে আবেদন পারেন। এখন পরবর্তী অপশনে দুটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Ordinary Passport এবং
- Officially Passport
এখানে Officially Passport’ অর্থাৎ, যারা অফিশিয়ালি এনওসির মাধ্যমে আবেদন করবেন। যেমন: গভমেন্ট চাকুরীজীবি এমন টাইপের যারা আছেন। তারা ‘Officially Passport’ অর্থাৎ, অন্য অন্য ব্যক্তিদের জন্য। যেমন: ফ্রিল্যান্সিং, ব্যবসা ইত্যাদি। তাহলে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী অপশন সিলেক্ট করুন। উদাহরণ স্বরূপ, আপনি ‘Ordinary Passport’ তৈরি করবেন। তাহলে অর্ডিনারি পাসপোর্ট অপশনে ক্লিক করে ‘Save And Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে পরবর্তী অপশনে আপনার সামনে একটি ফরম ওপেন হবে। এখন এই ফরমটি সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।

এখন আপনি প্রথমেই ‘I Apply For myself’ অপশনে ক্লিক করুন। এখানে ই-পাসপোর্টের একাউন্ট ব্যবহার করে আপনি চার থেকে পাঁচটি আবেদন করতে পারবেন। অর্থাৎ, আপনি আপনার ই-পাসপোর্টে একাউন্ট ব্যবহার করে আপনার ফুল ফ্যামিলি জন্য আবেদন করতে পারবেন। এখন আপনি যদি পরিবারের অন্য কোন সদস্যের জন্য আবেদন করেন।
তাহলে ‘I Apply For myself’ অপশনে টিক চিহ্ন দেওয়ার দরকার নেই। আর আপনি যদি নিজের জন্য আবেদন করেন। তাহলে ‘I Apply For myself’ অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। তাহলে নিচে আপনার নাম চলে আসবে। এখন আপনার Gender, profession এবং Region নির্বাচন করুন। এখানে আপনি যে ‘profession’ সিলেক্ট করবেন। সেই ‘profession’ অনুযায়ী আপনাকে তথ্য সাবমিট করতে হবে। তাহলে উল্লেখিত অপশন গুলোতে আপনার তথ্য অনুযায়ী সঠিকভাবে পূরণ করুন।
এখন আপনি যদি স্ক্রোল করে নিচে নামেন। তাহলে সেখানে ‘Birth Date’ নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন এবং তাঁর নিচে কয়েকটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Country of Birth
- District of Birth
- Date of Birth এবং
- Citizenship information
তাহলে উপরের অপশনগুলো সঠিকভাবে পূরণ করে ‘Save And Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে এমন একটি ফরম ওপেন হবে। এখন উপরে উল্লেখিত ফরমটি আপনাকে আপনার ‘Address’ অনুযায়ী পূরণ করতে হবে। এখানে আপনাকে প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস এবং পার্মানেন্ট অ্যাড্রেস দিতে হবে। তাহলে আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ড অনুযায়ী ‘Address’ অপশনে আপনার Permanent address এবং Permanent address অপশন গুলো সঠিক পুরন করুন। এখানে আপনি চাইলেই Permanent address এবং Permanent address একই ব্যবহার করতে পারবেন।
এখন আপনি যদি প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস এবং পার্মানেন্ট অ্যাড্রেস একই দিতে চান। তাহলে যেকোনো একটি এড্রেস লিখে ‘Permanent address….. Same as Permanent’ অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। তাহলে অটোমেটিক্যালি আপনার প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস এবং পার্মানেন্ট অ্যাড্রেস একই বসে যাবে। তাছাড়াও আপনাদের ভিতরে অনেকেই আছেন যারা দুই জায়গায় বসবাস করেন। প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস আলাদা এবং পার্মানেন্ট অ্যাড্রেস আলাদা। সেক্ষেত্রে আপনি ভিন্ন ভিন্ন দুটি এড্রেস ব্যবহার করতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন দু’টো হতে পারে। যেমন: আপনার প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হবে এবং পার্মানেন্ট অ্যাড্রেসও পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হবে। এখন যখনি আপনি আপনার প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস এবং পার্মানেন্ট এড্রেস বসিয়ে দিবেন। তখন আপনার পার্মানেন্ট এড্রেস অনুযায়ী এখানে আপনার পাসপোর্ট ভিসার নাম চলে আসবে।
এখন আপনি আবারোও অপশনগুলো ভালো ভাবে চেক করুন। আপনার দেওয়া সকল এড্রেস যদি সঠিকভাবে থাকে। তাহলে নিচে থেকে ‘Save And Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে ‘I’d Documents’ অপশনে নিয়ে যাবে এবং সেখানে তিনটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Yes, I have a Machine….passport (MRP)
- Yes, I have an….. passport (EPP) এবং
- No, I don’t have any….. Handwritten passport
এখন আপনার যদি আগে কোনো প্রকারের পাসপোর্ট না থাকে। তাহলে ‘No, I don’t have any….. Handwritten passport’ অপশনটি সিলেক্ট করুন। আর আপনাদের ভিতরে অনেকেই আছেন যারা এমআরপি পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্টে কনভার্ট করতে চাচ্ছেন। অর্থাৎ, আপনার এমআরপি পাসপোর্ট রয়েছে। এখন সেই পাসপোর্টটি আপনি ই-পাসপোর্টে কনভার্ট করবেন। সেম এই পদ্ধতিতে আবেদন করে এখান থেকে Yes, I have a Machine….passport (MRP) অপশনে ক্লিক করুন। একই সঙ্গে আপনারা যারা এমআরপি পাসপোর্ট রিনিউ করবেন। তাঁরা নিচে থেকে ‘reissue reason’ অপশনে ক্লিক করে আপনার রিজিওনটিকে সিলেক্ট করুন। উদাহরণ স্বরূপ, অনেকেই আছেন যাদের এমআরপি পাসপোর্টের মেয়াদ রয়েছে। তারপরেও এমআরপি পাসপোর্টটিকে ই-পাসপোর্টে কনভার্ট করতে চাচ্ছেন।
আরো পড়ুনঃ ডাচ-বাংলা স্টুডেন্ট একাউন্ট নাকি সেভিং একাউন্ট কোনটি খুলবেন
সেক্ষেত্রে আপনি ‘reissue reason’ অপশনে ক্লিক করে ‘Conversation to e-Passport’ অপশনটি নির্বাচন করুন। আর আপনার যদি এমআরপি পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে থাকে। তাহলে ‘Expired’ অপশনটি সিলেক্ট করুন। তাহলে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী অপশনটি সিলেক্ট করুন। আর আপনার যদি ই-পাসপোর্ট থাকে। তাহলে Yes, I have an….. passport (EPP) অপশনটি সিলেক্ট করে তার কারণটিও নির্বাচন করুন। উদাহরণ স্বরূপ, আপনার কোন পাসপোর্ট নেই। এখন আপনি নতুন পাসপোর্ট তৈরি করতে চাচ্ছেন। তাহলে ‘No, I don’t have any….. Handwritten passport’ অপশনটি সিলেক্ট করুন। তারপরে নিচে ‘Do you have passports of others country’ অপশন দেখতে পাবেন। এখন আপনার যদি অন্য কোন দেশের পাসপোর্ট থাকে। তাহলে ‘yes, I have another passport’ অপশনে ক্লিক করুন। অন্যথায়, ‘No, I don’t have’ অপশনে ক্লিক করুন।
তারপরে নিচের অপশনে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরটির বসিয়ে দিন। এখন সকল তথ্য সঠিক থাকলে ‘Save And Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার পরবর্তী অপশনে নিয়ে যাবে এবং সেখানে আপনার পিতা-মাতার ইনফরমেশন দিতে হবে।

এখন আপনি ‘Father’s information’ অপশনে অনেক গুলো অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Father’s name (As per NID Card/BRC)
- Professional
- Nationality এবং
- National ID number (Optional)
তাহলে ‘Father’s information’ অপশনে আপনি আপনার পিতার এন আইডি কার্ড অনুযায়ী পূরণ করুন। তারপরে নিচে ‘Mother’s Information’ অপশন দেখতে পাবেন এবং সেখানে কয়েকটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Mother’s name (As per NID Card/BRC)
- Professional
- Nationality এবং
- National ID number (Optional)
একই ভাবে ‘Mother’s Information’ অপশনে আপনি আপনার মাতার এন আইডি কার্ড অনুযায়ী অপশনগুলো সঠিক পুরন করুন। তারপরে নিচে ‘Legal Guardian’ অপশন দেখতে পাবেন। এখন আপনার যদি ‘লিগেল গার্ডিয়ান’ অ্যাপ্লিকেবল থাকে। তাহলে এখানে আপনার ‘Legal Guardian’ ইনফরমেশন দিয়ে অপশন গুলো পূরণ করুন। অন্যথায়, ‘Not Applicable’ অপশনে ক্লিক করুন। তারপরে নিচে থেকে ‘Save And Continue’ অপশনে ক্লিক করুন।
তাহলে পরবর্তী অপশনে ‘Spouse Information’ অপশন দেখতে পাবেন। এখানে আপনার ‘Madrid Status’ সিলেক্ট করতে হবে। এখন আপনি যদি ‘Single’ থাকেন। তাহলে সিঙ্গেল অপশনে ক্লিক করুন। আর আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন। তাহলে ‘Married’ অপশনে ক্লিক করে আপনার স্বামী/স্ত্রীর এন আইডি কার্ডের ইনফরমেশন গুলো দিয়ে নিচে থেকে ‘Save And Continue’ অপশনে ক্লিক করুন।
তারপরে পরবর্তী অপশনে আপনাকে ‘Emergency Contacts’ সিলেক্ট করতে হবে। অর্থাৎ, আপনার নম্বর যদি বন্ধ থাকে। তাহলে পাসপোর্ট অফিস থেকে আপনার সাথে কোন নম্বরে যোগাযোগ করবে। সেটি সিলেক্ট করতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনি ‘Relationship Contact’ অপশনে ক্লিক করে রিলেশনশিপ সিলেক্ট করুন। উদাহরণ স্বরূপ, পিতা-মাতা, ভাই-বোন, বন্ধু বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ইত্যাদি।
এখন আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী ‘Relationship Contact’ নির্বাচন করুন। উদাহরণ স্বরূপ, আপনি ‘Cousin’ অপশনটি সিলেক্ট করলেন। এখানে আপনি ‘Emergency Contacts’ অপশনে যে ব্যক্তির নাম দিবেন সেই ব্যক্তির তথ্য প্রদান করে অপশনগুলো সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে। এখন ‘Emergency Contacts’ অপশনটি সঠিকভাবে পূরণ করা হয়ে গেলে নিচে থেকে ‘Save And Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে ‘Passport’ অপশনে নিয়ে যাবে এবং সেখানে বর্তমানে 48 পেইজের পাসপোর্ট রয়েছে।

এখন আপনি যদি 48 পেইজের পাসপোর্ট ‘5’ বছরের জন্য নির্বাচিত করেন। তাহলে আপনাকে 4,025 টাকা পেমেন্ট করতে হবে এবং 48 পেইজের পাসপোর্ট যদি ‘10’ বছরের জন্য নির্বাচিত করেন। তাহলে আপনাকে 5,750 টাকা পেমেন্ট করতে হবে। মূলত, 5,750 টাকা এইটাই স্ট্যান্ডার্ড ফিস। তাহলে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুসারে বছর সিলেক্ট করুন।
উদাহরণ স্বরূপ, আপনি 48 পেইজের পাসপোর্ট ‘10’ বছরের জন্য নিতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি ‘48 Pages 10 year’ অপশনটি সিলেক্ট করুন। তারপরে নিচে থেকে ‘Save And Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে দুটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Regular Delivery এবং
- Express Delivery
এখন আপনি যদি ‘Regular Delivery’ অপশন সিলেক্ট করেন। তাহলে ‘15 ওয়ার্কিং ডেস’ মধ্যেই আপনি আপনার পাসপোর্টটি পেয়ে যাবেন। আর আপনি যদি ‘Express Delivery’ অপশন সিলেক্ট করেন। তাহলে 7 দিনের মধ্যেই আপনি আপনার পাসপোর্টটি পেয়ে যাবেন। এখন আপনি যদি ‘Express Delivery’ সিলেক্ট করেন। তাহলে আপনাকে আরোও বেশি চার্জ প্রদান করতে হবে।
এখানে আপনি যদি ‘Regular Delivery’ মাধ্যমে আপনার পাসপোর্টটি নিতে চান। তাহলে আপনাকে 5,750 টাকা পেমেন্ট করতে হবে এবং ‘Express Delivery’ মাধ্যমে আপনি যদি আপনার পাসপোর্টটি নিতে চান। তাহলে আপনাকে 8,050 টাকা পেমেন্ট করতে হবে। এখন আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী ডেলিভারি অপশন সিলেক্ট করুন।
উদাহরণ স্বরূপ, আপনি ‘Regular Delivery’ মাধ্যমে আপনার পাসপোর্টটি নিতে চাচ্ছেন। তাহলে ‘Regular Delivery’ অপশনে ক্লিক করে ‘Save And Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে আপনার সকল ইনফরমেশন গুলো দেখতে পাবেন।

এখন আপনি আবারোও সকল ডকুমেন্টগুলো ভালো ভাবে চেক করুন। কোনো অপশন যদি ভুল থাকে। তাহলে ‘Edit’ অপশনে ক্লিক করে তথ্যটি সঠিক ভাবে বসিয়ে দিন। এখানে অবশ্যই অপশন গুলো বারবার চেক করুন। কারণ: ভুল ইনফরমেশন থাকলে। পেমেন্ট করার পরে পরবর্তীতে আপনি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন এবং আপনার পাসপোর্টে ভুল তথ্যটি আসতে পারে।
এখন সকল অপশনগুলো সঠিক থাকলে নিচের ‘Declaration of Consent’ অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। তারপরে নিচে থেকে ‘Confirm and proceed to payment’ অপশনে ক্লিক করুন। তারপরে আবারোও ‘Confirm and proceed to payment’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে আপনার ‘সামারি টি’ দেখতে পাবেন।

এখন স্ক্রোল করে নিচে নামলে ‘Payments’ অপশন দেখতে পাবেন। এখানে আপনি দুইভাবে পেমেন্ট করতে পারবেন। যেমন:
- Offline payment এবং
- Online payment
এখানে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করে পেমেন্ট করতে পারবেন। এখন আপনি যদি ‘Offline payment’ করেন। তাহলে আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে পেমেন্ট করতে হবে। তাছাড়াও আপনি ‘Online payment’ মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন। উদাহরণ স্বরূপ, আপনি অনলাইনে মাধ্যমে পেমেন্ট করবেন। তাহলে ‘Online payment’ অপশনে ক্লিক করে নিচে থেকে‘Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে ‘Withing for Ekpay’ লেখা দেখতে পাবেন। অর্থাৎ, আপনি ‘Ekpay’ মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন এবং পেমেন্ট অপশন চলে আসবে। যেমন:
- Mobile Banking
- Card
- Internet Banking এবং
- Wallet
তাহলে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোন পেমেন্ট গেটওয়ে সিলেক্ট করে পেমেন্ট করতে পারবেন। উদাহরণ স্বরূপ, আপনি ‘Card’ মাধ্যমে পেমেন্ট করবেন। তাহলে ‘Card’ অপশনে ক্লিক করুন। তারপরে নিচে থেকে পেমেন্ট গেটওয়ে সিলেক্ট করুন। উদাহরণ স্বরূপ, মাস্টার কার্ড, Visa Card, DBBL Nexus এবং American Express। এখন আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী পেমেন্ট গেটওয়ে সিলেক্ট করে নিচের বক্সের টিক চিহ্ন দিয়ে ‘Pay৳…. Charge’ অপশনে ক্লিক করুন।
তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে আপনার কার্ডের ইনফরমেশন দিতে হবে। যেমন:
- Card Number
- Expire date এবং
- Card Holders Number
তাহলে আপনি আপনার কার্ডের ইনফরমেশন দিয়ে অপশনগুলো সঠিক ভাবে পূরণ করুন। তারপরে নিচে থেকে ‘Pay’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার মোবাইল নম্বরে এটিপি যাবে সেটি বসিয়ে ‘Submit’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পেমেন্ট সাকসেসফুল হয়ে যাবে এবং আপনার সামনে এমন একটি ইন্টারফেজ ওপেন হবে।

এখন আপনাকে ‘Print Summary’ অপশনে ক্লিক করে সামারিটি সেভ করতে হবে। এখন আপনি‘Download Application From For Printing’ অপশনে ক্লিক করে এই অ্যাপ্লিকেশন ফর্মটি ডাউনলোড করুন। এখন আপনাকে যে কাজটি করতে হবে সেটি হলো: চালানের কপিটি ডাউনলোড করতে হবে। অর্থাৎ, আপনি যে অনলাইনে পেমেন্ট করেছেন সেই চালানের কপিটি ডাউনলোড করতে হবে।
এখন চালানোর কপিটি ডাউনলোড করার জন্য উপরে উল্লেখিত ছবি থেকে মার্ক করা ‘Online Registration I’d’ অপশনটিতে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন আইডিতে কপি করুন। এখন উপরে লক্ষ্য করলে ‘Passport Fees’ নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে এমন একটি ইন্টারফেস ওপেন হবে।

এখন আপনি ‘Click Here’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে ‘Ekpay’ অপশনে নিয়ে যাবে। এখন আপনি নিচে তিনটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- রশিদ নম্বর
- মোবাইল নম্বর এবং
- পাসপোর্ট Application I’d
এখন আপনি ‘পাসপোর্ট Application I’d’ অপশনে ক্লিক করুন। তারপরে নিচে আপনার ও আইডিটা বসিয়ে ‘জমা দিন’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার সামনে আপনার পেমেন্টের রশিদটি চলে আসবে। এখন আপনি ‘view’ অপশনে ক্লিক করে ‘Download’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার পেমেন্ট রশিদটি ডাউনলোড হয়ে যাবে।
এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি নিজেই নিজের ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার পর। উপরে দেখানোর নিয়ম অনুযায়ী পেমেন্ট সম্পন্ন করুন, তারপর পেমেন্ট সামারি, অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম এবং চালান কপি ডাউনলোড করুন। তারপর এ ডকুমেন্টগুলোর সাথে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র, জব আইডি বা স্টুডেন্ট আইডি ইত্যাদি প্রমাণপত্র সংগ্রহ করে সকল ডকুমেন্ট প্রিন্ট ও ফটোকপি করে একটি ফাইল তৈরি করুন তারপর সেটি নিয়ে আপনার নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিসে জমা করুন। তারপর ফিঙ্গারপ্রিন্ট এন্ডরোলমেন্ট করে ডেলিভারি স্লিপ নিয়ে ফিরে আসুন। তাহলে আপনার সবগুলো কাজ সম্পন্ন হবে।


