পাসপোর্ট রিনিউ করার নিয়ম ২০২৪ পাসপোর্ট রিনিউ করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন আজকের পোস্টে। আপনাদের ভিতরে অনেকেই আছেন যাদের বর্তমান সময়ে পার্সপোট রিনিউ করার প্রয়োজন পড়ছে। অথবা ভবিষ্যতে আপনার পাসপোর্ট রিনিউ করার প্রয়োজন হবে। কিন্তু আপনি সঠিকভাবে জানেন না কিভাবে পাসপোর্ট রিনিউ করতে হয়। তাহলে আপনাকে পোস্টটি আপনার জন্য। আজকের পোস্টে আমরা আলোচনা করবো।
কিভাবে অনলাইনের মাধ্যমে আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনটি ব্যবহার করে MRP পাসপোর্ট অথবা ই-পাসপোর্টেকে পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য আবেদন করবেন। তাছাড়াও বর্তমান সময়ে আপনি অনলাইনের মাধ্যমে পাসপোর্ট রিনিউ আবেদন করতে পারবেন এবং অনলাইনের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে হাতে থাকা স্মার্টফোনটি ব্যবহার করে পাসপোর্ট রিনিউ আবেদন করতে হয় এবং অনলাইনের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হয়।
পাসপোর্ট রিনিউ করার নিয়ম
পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য সর্বপ্রথম আপনার মোবাইল অথবা কম্পিউটারে ডাটা সংযোগ চালু করুন। তারপর মোবাইল অথবা কম্পিউটার থাকা যেকোনো একটি ব্রাউজার ওপেন করুন এবং সার্চবারে e-Passport gov.bd লিখে সার্চ করুন। এখন সার্চ রেজাল্টে আসা প্রথম ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
তাহলে আপনার সামনে নতুন একটি ইন্টারফেজ ওপেন হবে এবং সেখানে কয়েকটি অপশন দেখতে। এখন প্রথম অপশন অর্থাৎ, Apply online for e-Passport/ Re issues অপশনের নিচে থেকে ‘Directly to online Application’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে সেখানে ‘Are you Application from Bangladesh’ লেখা দেখতে পাবেন। এখন আপনি ‘Yes’ অপশনে ক্লিক করুন।
আরো পড়ুনঃ নতুন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন-২০২৪
তারপর নিচে থেকে আপনার ‘Present Address’ এবং ‘Present address police Station’টি সিলেক্ট করুন। এখন অপশন গুলো সঠিকভাবে পূরণ করা হয়ে গেলে নিচে থেকে ‘Continue’ অপশনে ক্লিক করুন এবং পরবর্তী অপশনে আপনার একটি ইমেইল এড্রেস বসিয়ে দিন। তারপর ‘I am human’ অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে ‘Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে এমন একটি ফরম ওপেন হবে।
এখন প্রথমেই আপনাকে একটি পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে। যে পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করে আপনি পরবর্তীতে ই-পাসপোর্টের একাউন্টে ‘লগইন’ করবেন। তাহলে Password অপশনে এবং Confirm password অপশনে একই পাসওয়ার্ড বসিয়ে দিন। তারপর নিচে ‘Personal information’ অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে আপনার পার্সোনাল ইনফরমেশন দিয়ে অপশন গুলো পূরণ করতে হবে। যেমন:
- Full Name As per NID/BRC
- Given Name Optional এবং
- Surname
তাহলে আপনি আপনার আগের পাসপোর্ট অনুযায়ী Given Name এবং Surname লিখুন। তারপর নিচে আপনার মোবাইল নম্বরটি বসিয়ে দিন। এখন সকল তথ্য সঠিক থাকলে ‘I am human’ অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে ‘Create Account’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার ইমেইল নম্বরে একটি পাসপোর্ট ওয়েবসাইট থেকে একটি লিংক চলে যাবে।
এখন আপনি লিংকে ক্লিক করে আপনার একাউন্টের ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ করুন। তারপর ‘Sign in’ অপশনে ক্লিক করে ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে দিন এবং নিচে থেকে ‘I am human’ অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে লগইন অপশনে করুন। তাহলে আপনার একাউন্টে লগইন হয়ে যাবে এবং আপনার সামনে এমন একটি ইন্টারফেজ ওপেন হবে।
এবারে আপনি ‘Apply for a new e-Passport’ অপশনে ক্লিক করুন। এখন আপনাদের ভিতরে অনেকেই আছেন যারা বলবেন আমি তো পাসপোর্ট রিনিউ করবো। তাহলে এখানে ক্লিক করবো কেন। বর্তমানে আপনি যদি পাসপোর্ট রিনিউ করতে চান। তাহলে আপনাকে ‘Apply for a new e-Passport’ মাধ্যমে রিনিউ করতে হবে। সেজন্য আপনি ‘Apply for a new e-Passport’ অপশনটিতে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে দুটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- ordinary passport এবং
- official Passport
এখন আপনি আপনার প্রয়োজন অনুসারে পাসপোর্ট অপশনটি সিলেক্ট করুন। তারপর নিচে থেকে ‘save and continue’ অপশনে ক্লিক করুন। এখানে ordinary passport বলতে বোঝানো হয়েছে, বিভিন্ন প্রয়োজনে যে পাসপোর্টটি ব্যবহার করা হয়। আর official Passport বলতে বোঝানো হয়েছে, শুধুমাত্র যারা অফিস অথবা সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে তাদের জন্য। উদাহরণ স্বরূপ, আপনি ‘ordinary passport’ ব্যবহার করে পাসপোর্ট রিনিউ করবেন। তাহলে ‘ordinary passport’ অপশনে ক্লিক করুন এবং ‘save and continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে আপনার পার্সোনাল ইনফরমেশন দিতে হবে। এখন আপনি উপরে লক্ষ্য করলে ‘I Apply For My self’ লেখা দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করুন। তাহলে অটোমেটিক আপনি যে ইনফরমেশন ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছেন। সেই তথ্যগুলো চলে আসবে। এখন Gender অপশন এ ক্লিক করে আপনার জেন্ডারটি সিলেক্ট করুন। তারপর নিচে থেকে professional’ অপশন দেখতে পাবেন।
এখানে আপনি যে professional সিলেক্ট করবেন। সেই প্রফেশনাল অনুযায়ী আপনাকে ডকুমেন্ট সাবমিট করতে হবে। তাহলে আপনি আপনার প্রফেশনালটি সিলেক্ট করুন এবং নিচে কয়েকটি অপশন পাবেন। যেমন:
- Religion
- Mobile Number
- District of Birth
- Date of Birth এবং
- Citizenship information
তাহলে উপরে উল্লেখিত তথ্যগুলো আপনি আপনার প্রফেশনাল তথ্য অনুযায়ী পূরণ করুন। এখন সকল তথ্য ঠিক থাকলে ‘save and continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে আপনার present address এবং permanent address দিতে হবে। তাহলে প্রথমেই আপনাকে ‘present address’ সিলেক্ট করতে হবে। এখন প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস অপশনে অনেকগুলো অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- District
- City/village/Home
- Road/Block/Sector (Optional)
- Post office
- Post Code এবং
- Police station
তাহলে আপনি আপনার প্রেজেন্ট এড্রেস তথ্য অনুযায়ী অপশন গুলো পূরণ করুন। এখন আপনি যদি প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস এবং পার্মানেন্ট এড্রেস একই দিতে চান। তাহলে ‘present address is the same as Permanent’ অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। তাহলে অটোমেটিক আপনার প্রেজেন্ট এড্রেস অনুযায়ী পার্মানেন্ট এড্রেস বসে যাবে। এখন নিচে আপনার পাসপোর্টের নাম চলে আসবে।
এখন সকল তথ্য ঠিক থাকলে নিচে থেকে ‘save and continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে এমন একটি ইন্টারফেজ ওপেন হবে।
এখন আপনি যদি MRP পাসপোর্টে রিনিউ করতে চান। তাহলে Yes, ‘I Have a machine….. passport MRP’ অপশনে ক্লিক করুন। আর আপনি যদি e-Passport রিনিউ করতে চান। তাহলে yes, ‘l have an….. passport EPP’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুসারে অপশনটি সিলেক্ট করুন। উদাহরণ স্বরূপ, আপনি MRP পার্সপোট রিনিউ করতে চান। তাহলে Yes, ‘I Have a machine ….. passport MRP’ অপশনে ক্লিক করুন। তারপর নিচে আপনাকে কয়েকটি অপশন পূরণ করতে হবে। যেমন:
- Reissue reason
- Passport Number
- Date of issues
- Date of Expiration
এখন আপনি আপনার পাসপোর্ট অনুযায়ী উপরের অপশন গুলো সঠিকভাবে পূরণ করুন এবং নিচে ‘Do you have passports of others country’ অপশন দেখতে পাবেন। অর্থাৎ আপনার যদি অন্য কোন দেশের পাসপোর্ট থেকে থাকে। তাহলে yes অপশনে ক্লিক করুন। আর অন্যথায়, No অপশনে ক্লিক করুন। তারপর নিচে ‘national I’d Number’ অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বারটি দিতে হবে। তাহলে ‘national I’d Number’ অপশনে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বরটি বসিয়ে দিন। তারপর ‘Save And Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে আপনার পিতা এবং মাতার ইনফরমেশন দিয়ে অপশন গুলো পূরণ করতে হবে।
তাহলে Father’s information এবং mother’s information অপশনে আপনার পিতা এবং মাতার তথ্য দিয়ে অপশন গুলো পূরণ করুন। এখন নিচে ‘guardian information’ অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে আপনার যদি লিগ্যাল গার্ডিয়ান থাকে। তাহলে লিগ্যাল গার্ডিয়ানের তথ্য দিয়ে অপশন গুলো পূরণ করুন। আর অন্যথায়, ‘Not Applicable’ অপশনে ক্লিক করুন। এখন আবারোও সকল তথ্যগুলো ভালোভাবে চেক করে ‘save and continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে আপনার ‘Married status’ নির্বাচন করতে হবে। এখন আপনি যদি সিঙ্গেল হয়ে থাকেন। তাহলে সিঙ্গেল অপশনে ক্লিক করুন। আর আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন। তাহলে Married অপশনে ক্লিক করে আপনার স্বামী/ স্ত্রীর তথ্য দিয়ে অপশন গুলো পূরণ করে ‘save and continue’ অপশনে ক্লিক করুন।
এখন পরবর্তী অপশনে আপনাকে ‘emergency contact’ নির্বাচন করতে হবে। তাহলে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী ইমারজেন্সি কন্টাক্ট সিলেক্ট করে সেই ব্যক্তির তথ্য অনুযায়ী অপশন গুলো পূরণ করুন। এখন সকল অপশন সঠিক থাকলে ‘save and continue’ অপশনে ক্লিক করুন। এখন পরবর্তী অপশনে আপনার পাসপোর্ট এর অপশনটি চলে আসবে।
এখানে 48 Pages পেইজের পাসপোর্টটি আপনি দুটি ক্যাটাগরিতে নিতে পারবেন। আপনি যদি 48 পেইজের পাসপোর্টটি 5 বছরের জন্য নিতে চান। তাহলে আপনাকে 4,025 টাকা পেমেন্ট করতে হবে এবং 48 Pages পেইজের পাসপোর্টে 10 বছর যেন নিতে চান। তাহলে আপনাকে 5,750 টাকা পেমেন্ট করতে হবে।
তাহলে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুসারে বছর নির্বাচন করুন। তারপর ‘save and continue’ অপশনে ক্লিক করুন। এখন পরবর্তী ধাপে আপনি দুটো অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Regular Delivery এবং
- Express Delivery
এখন আপনি যদি আপনার পাসপোর্টটি Regular Delivery মাধ্যমে নিতে চান। তাহলে আপনাকে 5,750 টাকা পেমেন্ট করতে হবে এবং Express Delivery মাধ্যমে নিতে চাইলে। আপনাকে 8,050 পেমেন্ট করতে হবে। তাহলে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী ডেলিভারি অপশন সিলেক্ট করুন। উদাহরণ স্বরূপ, আপনি Regular Delivery মাধ্যমে আপনার পাসপোর্টটি নিতে চাচ্ছেন। তাহলে Regular Delivery অপশনটি সিলেক্ট করে ‘save and continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার সামনে এমন একটি ইন্টারফেজ ওপেন হবে। অর্থাৎ, আপনি এতক্ষণ ধরে যে ইনফরমেশন গুলো পূরণ করেছেন সেই ইনফরমেশন গুলো পুনরায় আপনার সামনে ওপেন হবে।
এখন আপনি আবারোও আপনার পাসপোর্টের সাথে সকল ডিটেলস ভালোভাবে মিলিয়ে নিন। কারন একবার আপনার আবেদনটি সাবমিট হয়ে গেলে। সেটি আপনি আর ডিলিট করতে পারবেন না। এখন অপশন গুলো ভালো ভাবে চেক করা হয়ে গেলে নিচে থেকে ‘Confirm and proceed to payment’ অপশনে ক্লিক করুন। তারপর আবারোও ‘Confirm and proceed to payment’ অপশনে ক্লিক করুন।
তাহলে আপনার সামনে একটি এপ্লিকেশন সামারি চলে আসবে। এখন নিচে আপনি ‘Payment Option’ অপশন দেখতে পাবেন। এখন আপনি কিভাবে পেমেন্ট করতে চাচ্ছেন সেটি সিলেক্ট করুন। দুঃখিত এখানে অনলাইন পেমেন্ট করতে পারবেন না। সেজন্য আপনি offline payment অপশনটি সিলেক্ট করুন। এখানে অনলাইনের মাধ্যমে পেমেন্ট করলে আপনাকে A-Challan পেমেন্ট দিতে হবে। এখন আপনি offline payment অপশনটি সিলেক্ট করে ‘Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার সামনে এমন একটি ইন্টারফেজ ওপেন হবে।
এখন আপনি প্রিন্ট সামারি অপশনে ক্লিক করে সামারিটি প্রিন্ট করে নিন। তারপর Download Application From অপশনে ক্লিক করে এপ্লিকেশন ফর্মটি ডাউনলোড করুন। এখন আপনাকে যে কাজটি করতে হবে সেটি হলো: ফরমটিকে আপনাকে প্রিন্ট করে নিতে হবে। তারপর আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে টাকা জমা দিতে হবে। এখন আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে সাবমিট করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এনরোলমেন্ট দিয়ে আসতে হবে।
তারপর আপনাকে যে কাজটি করতে হবে সেটি হলো: অ্যাপ্লিকেশন ফর্মটি এবং সামারিটি প্রিন্ট করতে হবে। তারপর আপনার সকল ডকুমেন্ট যেমন: আপনার এনআইডি কার্ড, পাসপোর্ট, আপনার পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের ফটোকপি এবং আপনার প্রফেশনাল সম্পর্কে ডকুমেন্ট। এগুলো আপনি একসাথে সংযুক্ত করে আপনাকে ব্যাংকে যেতে হবে যে ব্যাংকে পাসপোর্টের ফিস জমা নেয়। এখন ব্যাংকে গিয়ে প্রিন্ট সামারিটি তাদেরকে দেখালে। তারা আপনার প্রিন্ট সামারিটি জমা নিবে এবং আপনাকে প্রিন্ট করে একটি চালান ফর্ম দিয়ে দিবে। এখন সেই চালান কপিটি সকল ডকুমেন্টের উপরে রেখে আপনাকে একটি ফাইল তৈরি করতে হবে এবং সেই ফাইলটি নিয়ে আপনি চলে যাবেন আপনার রিজওনাল পাসপোর্ট অফিসে।
তারপর অফিসে গিয়ে আপনার ডকুমেন্টগুলো জমা দিবেন। এখন তারা চেক করবে আপনার ডকুমেন্ট গুলো সঠিক থাকলে আপনাকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এনরোলমেন্ট করতে হবে। তাহলে আপনি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে আসবেন এবং ছবি তুলবেন। তারপর রিজওনাল পাসপোর্ট অফিস থেকে আপনাকে একটি ডেলিভারি স্লিপ দিবে। এখন আপনাকে সেই ডেলিভারি স্লিপটি নিয়ে বাসায় চলে আসতে হবে এবং সঠিক সময়ের মধ্যেও আপনার পাসপোর্টটি আপনার হাতে চলে আসবে।


