নতুন পার্সপোটের জন্য আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন আজকের পোস্টে। আজকের পোস্টে আমরা আলোচনা করবো। কিভাবে আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনটি ব্যবহার করে খুব সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে নতুন পার্সপোটের জন্য আবেদন করবেন। আবেদন করতে কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে এবং কিভাবে অনলাইনের মাধ্যমে পেমেন্ট করবেন।
তাছাড়াও কিভাবে সঠিক নিয়মে নতুন পার্সপোটের জন্য আবেদন করার পর পুলিশ ভেরিফিকেশন করবেন এবং কি কি ডকুমেন্ট জমা দিবেন ইত্যাদি। তাই ধৈর্য সহকারে আজকের পোস্টটি পড়ার অনুরোধ রইলো।
নতুন পার্সপোটের জন্য আবেদন করার নিয়ম
নতুন পার্সপোটের জন্য আবেদন করার জন্য সর্বপ্রথম আপনার মোবাইল অথবা কম্পিউটারের ডাটা সংযোগ চালু করুন। তারপর আপনার মোবাইলে কিংবা কম্পিউটারে থাকা যেকোনো একটি ব্রাউজার ওপেন করুন এবং সার্চ অপশনে epassport.gov.bd লিখে সার্চ করুন। তাহলে আপনাকে সরাসরি ই-পাসপোর্টের ওয়েবসাইটে নিয়ে যাবে এবং সেখানে এমন একটি ইন্টারফেস ওপেন হবে।

এখন আপনি যদি উপরে উল্লেখিত পিকচারে লক্ষ্য করেন। তাহলে সেখানে অনেকগুলো অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Apply online for e-passport/ Re-issue
- 5 steps to e-passport
- Urgent applications
- Passport fees
- Instructions এবং
- Application at RPO Bangladesh secretariat
এখন আপনি প্রথম অপশন অর্থাৎ, Apply online for e-passport/ Re-issue অপশনের নিচে থেকে Directly to online application অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে এমন একটি ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।

এখন প্রথমেই Are you…..from Bangladesh নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন। সেখান থেকে Yes অপশনে ক্লিক করুন। তারপর নিচে দুটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- District এবং
- Police station
তাহলে আপনি আপনার ঠিকানা অনুযায়ী District এবং Police station সিলেক্ট করুন। এখন সকল অপশন সঠিকভাবে পূরণ করা হয়ে গেলে নিচে থেকে ‘Continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে আপনার একটি ইমেইল এড্রেস বসাতে হবে।
এখানে অবশ্যই আপনাকে একটি নতুন ইমেইল এড্রেস দিতে হবে। যে ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করে আগে কখনো ই-পাসপোর্টে একাউন্ট তৈরি করা হয়নি। তাহলে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী একটি ইমেইল এড্রেস বসিয়ে দিন এবং নিচে থেকে ‘I am human’ অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে Continue অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে এমন একটি ইন্টারফেস ওপেন হবে।
এখানে আপনাকে একটি পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে। যে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আপনি পরবর্তীতে আপনার একাউন্টে লগইন করতে পারবেন। তাহলে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী Password এবং Repeat password অপশনে একই পাসওয়ার্ড লিখুন। তারপর নিচে Personal information অপশন দেখতে পাবেন এবং সেখানে অনেকগুলো অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Full Name (as per Nid/BRC)
- Given Name (Optional)
- Surname এবং
- Mobile Number
তাহলে উপরে উল্লেখিত অপশন গুলো সঠিকভাবে পূরণ করে ‘I am human’ অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে ‘Create Account’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে এবং আপনার ইমেইল একটি ভেরিফিকেশন কোড যাবে। এখন আপনি আপনার ইমেইল এড্রেস থেকে লিংকে ক্লিক করে একাউন্ট ভেরিফিকেশন করুন।
তারপর আবারো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন এবং Sing in অপশনে ক্লিক করে ক্লিক করে আপনার ইমেইল এড্রেস এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট লগইন করুন। এখন একাউন্ট লগইন করা হয়ে গেলে আপনার সামনে এমন একটি ইন্টারফেস শো করবে।

Apply for a new e-passport
এখন নতুন পার্সপোটের জন্য আবেদন করার জন্য Apply for a new e-passport অপশনে ক্লিক করুন। আপনাদের ভিতরে অনেকেই আছেন যারা এমআরপি পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্ট করবেন। তারা সেম পদ্ধতি ব্যবহার করে আবেদন করতে পারবেন। Apply for a new e-passport অপশনে ক্লিক করার পর আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে দুই ধরনের পাসপোর্ট দেখতে পাবেন। যেমন:
- Ordinary Passport এবং
- Office passport
তাহলে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী পাসপোর্ট অপশন সিলেক্ট করুন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি Ordinary Passport অপশন সিলেক্ট করলেন। তারপর নিচে থেকে Save and continue অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে এমন একটি ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।

এখন আপনি ‘I apply for myself’ অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। এখন আপনি চাইলে ই পাসপোর্ট এর একটি একাউন্ট দিয়ে আপনার পরিবারের সকল মেম্বারদের জন্যেও পাসপোর্ট Apply করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনি যদি একসাথে অনেকের জন্যে আবেদন করতে চান। অথবা অন্য কারো আবেদন করতে চান তাহলে ‘I apply for myself’ অপশনে টিক চিহ্ন দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
তারপর নিচে থেকে আপনার gender এবং profession সিলেট করতে হবে। মনে রাখবেন আপনার পেশার উপরে নির্ভর করে আপনাকে ডকুমেন্ট সাবমিট করতে হবে। তাই ভুল পেশা নির্বাচন করার ক্ষেত্রে সচেতন হোন। তারপর select religion অপশনে থেকে আপনার ধর্ম নির্বাচন করুন। এভাবে country code অপশনে আপনার ফোন নম্বর, Birth data, District, Date of birth, citizenship- by birth সিলেক্ট করে নিচে থেকে save and continue বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী অপশনে নিয়ে যাবে এবং সেখানে Address নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন।
এখন আপনি Present Address অপশনে অনেকগুলো অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- District
- City/village/home
- Post office
- Postal code এবং
- Police station
তাহলে আপনি আপনার এনআইডি কার্ডে তথ্য অনুযায়ী Present Address সঠিকভাবে লিখুন। তারপর নিচে লক্ষ্য করলে permanent address নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন এবং সেখানে অনেকগুলো অপশন শো করবে। যেমন:
- County
- District
- City/village/home
- Road/Block/sector (optional)
- Post office এবং
- Postal code
তাহলে আপনি আপনার এন আইডি কার্ডের তথ্য অনুযায়ী Present Address অপশন গুলো সঠিকভাবে লিখুন। তাছাড়াও আপনি চাইলেই Present Address এবং permanent address একই ব্যবহার করতে পারবেন। তাহলে Present Address এবং permanent address একই ব্যবহার করার জন্য Present Address….. same as permanent অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন।
তাহলে অটোমেটিক Present Address permanent address অপশনে বসে যাবে। তারপর scroll করে নিচে নামলে দেখতে পাবেন সেখানে আপনার Present Address অনুযায়ী আপনার পাসপোর্ট অফিসের নাম চলে আসবে। এখন সকল অপশন সঠিকভাবে পূরণ করা হয়ে গেলে নিচে থেকে ‘Save and continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে।

ID Documents
এখন আপনি উপরে নমুনা পিকচারে লক্ষ্য করলে সেখানে তিনটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Yes, l have a machine……passport (MRP)
- Yes, I have an……. passport (ePP) এবং
- No, I don’t have any…… handwritten passport
এখন আপনার যদি আগে কোনো প্রকার Passport না থাকে। তাহলে No, I don’t have any…… handwritten passport অপশনে ক্লিক করুন। তাছাড়াও আপনাদের ভিতরে অনেকেই আছেন। যারা এমআরপি পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্ট পরিবর্তন করবেন।
তারা সেইম পদ্ধতিতে আবেদন করে Yes, l have a machine……passport (MRP) অপশন নির্বাচন করুন এবং আপনার যদি ই-পাসপোর্ট থাকে। তাহলে Yes, I have an…….e passport (ePP) অপশন সিলেক্ট করুন। উদাহরণ স্বরূপ, আপনার আগে কোনো প্রকার Passport নেই। তাহলে No, I don’t have any…… handwritten passport অপশন সিলেক্ট করুন। তারপর নিচে দুটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- No, I don’t have এবং
- Yes, I have another passport
এখন আপনার যদি অন্য কোন দেশের পাসপোর্ট থাকে। তাহলে Yes, I have another passport অপশন সিলেক্ট করুন। অন্যথায়, No, I don’t have অপশন সিলেক্ট করুন। তারপর নিচে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরটি বসিয়ে দিন এবং ‘Save and continue’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তীভাবে নিয়ে যাবে এবং সেখানে এমন একটি ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।

এখন এখানে আপনার Father information এবং Mother information তথ্য দিয়ে অপশনগুলো সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। এখন Father information অপশনে আপনি অনেকগুলো অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Father’s Name (as per Nid/BRC)
- Profession
- Nationality এবং
- National ID number (optional)
তাহলে আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য অনুযায়ী Father name অপশন সঠিকভাবে পূরণ করুন। তারপর নিচে Mother’s অপশন দেখতে পাবেন এবং সেখানেও অনেকগুলো অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Mother’s Name (as per Nid/BRC)
- Profession
- Nationality এবং
- National ID number (optional)
তাহলে আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য অনুযায়ী Mother name অপশন সঠিকভাবে পূরণ করুন। তারপর নিচে legal guardian নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন। এখন আপনার যদি লিগ্যাল গার্ডিয়ান থাকে। তাহলে legal guardian তথ্য দিয়ে অপশনগুলো সঠিকভাবে পূরণ করুন। অন্যথায়, Not applicable অপশনে ক্লিক করুন।
এখন সকল অপশন সঠিকভাবে পূরণ করা হয়ে গেলে নিচে থেকে Save and continue অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে Spouse information নিয়ে যাবে।

Spouse Information
এখানে আপনাকে ‘married status’ নির্বাচন করতে হবে। এখন আপনি যদি সিঙ্গেল হয়ে থাকেন। তাহলে Single সিলেক্ট করুন। আর আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন। তাহলে Married সিলেক্ট করে আপনার স্বামী অথবা স্ত্রী তথ্য দিয়ে অপশন গুলো সঠিকভাবে পূরণ করুন। এখন সকল অপশন সঠিকভাবে পূরণ করা হয়ে গেলে Save and continue অপশনে ক্লিক করুন।
তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে Emergency Contact সিলেক্ট করতে হবে। অর্থাৎ, আপনার নম্বর যদি বন্ধ থাকে। তাহলে পাসপোর্ট অফিস থেকে কোন নম্বরে আপনার সাথে যোগাযোগ করবে সেটি সিলেক্ট করতে হবে। তাহলে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী Emergency Contact অপশন সিলেক্ট করুন। এখন ইমার্জেন্সি কন্টাক্ট দেওয়া ব্যক্তির এনআইডি কার্ডের তথ্য দিয়ে অপশনগুলো সঠিকভাবে পূরণ করুন এবং নিচে থেকে Save and continue অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে Passport Options একটি ইন্টারফেস শো করবে।

Passport Options
এখানে আপনি 48 পেজের দুটি ভ্যালিডিটি দেখতে পাবেন। যেমন:
- 5 year এবং
- 10 year
এখন আপনি যদি 48 পেজের 5 year এর জন্য পাসপোর্ট করতে চান। তাহলে এক্ষেত্রে আপনাকে 4025 টাকা দিতে হবে। আবার আপনি যদি ১০ বছরের জন্য ৪৮ পেজের পাসপোর্ট করতে চান। তাহলে এক্ষেত্রে আপনাকে ৫৭৫০ টাকা দিতে হবে। এখন আপনি আপনার পছন্দ মতো যেকোনো একটি অপশন সিলেট করে ‘Save and continue’ বাটনে ক্লিক করুন।
পাসপোর্ট ডেলিভার নিবেন যেভাবে
Save and continue করে পরবর্তী ধাপে আসার পর এ পর্যায়ে আপনাকে ডেলিভারি এডড্রেস দিতে হবে। অর্থাৎ আপনি কোন ঠিকানায় পাসপোর্টে ডেলিভারি নিবেন। এখানে আপনি দুটি অপশন দেখতে পাবেন। একটি হচ্ছে regular delivery এবং অপরটি Express delivery।

আপনি যদি regular delivery তে পাসপোর্ট নিতে চান তাহলে আপনাকে ১৫ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আর আপনি যদি ইমারজেন্সি ভাবে ৭ দিনের ভিতরে ডেলিভারি নিতে চান। তাহলে আপনাকে Express delivery নিতে হবে। তবে Express delivery ক্ষেত্রে কিছু টাকা বেশি দিতে হবে।
আপনার পছন্দ অনুযায়ী যে কোন একটি সিলেক্ট করে আবারও ‘Save and continue’ তে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার সামনে এ পর্যন্ত দেওয়া সকল তথ্য চলে আসবে। এখন সবকিছু আবারো ভালোভাবে দেখে নেন। যদি কোন ভুল টিকে থাকে তাহলে সেগুলো Back এ গিয়ে ঠিক করে নিন। আর যদি সবকিছু ঠিক থাকে।
তাহলে নিচের বক্সে চিহ্ন দিয়ে ‘Confirm and proceed to payment’ অপশনে ক্লিক করুন। তারপর আবারোও পরবর্তী অপশন থেকে Confirm and proceed to payment’ অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে আপনার Application summary টি দেখতে পাবেন।
অনলাইনে পেমেন্ট করার নিয়ম
এখন আপনি স্ক্রোল করে নিচে নামলে পেমেন্ট করার দুটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন:
- Online payment এবং
- Offline payment
আপনি যদি মনে করেন Offline payment পেমেন্ট করবেন। তাহলে আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে পেমেন্ট করতে হবে। আর আপনি চাইলে খুব সহজে Online payment পেমেন্ট করতে পারবেন। তাহলে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করে পেমেন্ট করুন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি অনলাইনে মাধ্যমে পেমেন্ট করতে চাচ্ছেন। তাহলে Online payment অপশন সিলেক্ট করুন এবং Continue অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে পেমেন্ট মেথড দেখতে পাবেন। যেমন:
- বিকাশ
- রকেট
- উপায়
- Master card
- Visa
- রকেট
- Wallet ইত্যাদি
তাহলে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী অপশন সিলেক্ট করুন। উদাহরণ স্বরূপ, আপনি Card মাধ্যমে পেমেন্ট করবেন। তাহলে Card অপশন সিলেক্ট করে নিচের বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Pay অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে এমন একটি ইন্টারফেস ওপেন হবে। এখন আপনি আপনার কার্ডের তথ্য অনুযায়ী উপরে উল্লেখিত অপশন গুলো সঠিকভাবে পূরণ করুন এবং Pay অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার মোবাইল নম্বরে একটি ভেরিফিকেশন কোড যাবে সেই কোডটি বসিয়ে Submite অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার পেমেন্টটি সাকসেসফুল হয়ে যাবে এবং আপনার সামনে নতুন একটি পেইজ ওপেন হবে।
এখন আপনি স্ক্রোল করে নিচে নামলে payment status অপশনে Paid লেখা দেখতে পাবেন। এখন আপনি Print Summary অপশনে ক্লিক করে সামারিটি আপনার মোবাইলে ডাউনলোড করুন। তারপর আবারো Back পেইজে প্রবেশ করুন এবং Download Application from for printing অপশনে ক্লিক করে আপনার অ্যাপ্লিকেশন ফর্মটি ডাউনলোড করুন। এখন আপনাকে যে কাজটি করতে হবে সেটি হলো: আপনার চালানের কপিটি ডাউনলোড করতে হবে। অর্থাৎ, আপনি যে অনলাইনের মাধ্যমে পেমেন্ট করেছেন। সেই চালানের কপিটি ডাউনলোড করতে হবে।
চালান কপি ডাউনলোড করার নিয়ম
এখন চালানের কপিটি ডাউনলোড করার জন্য এখান থেকে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন আইডিটি কপি করুন। তারপর উপরে লক্ষ্য করলে Passport fees নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে নতুন একটি ইন্টারফেস শো হবে। এখন আপনি Click Here অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে Ekpay অপশনে নিয়ে যাবে এবং সেখানে থেকে পাসপোর্ট অপশনে ক্লিক করুন। তারপর আপনার ও আইডিটি এখানে Paste করুন এবং জমা দিন অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার সামনে আপনার পেমেন্ট রশিদটি চলে আসবে। এখন আপনি View অপশনে ক্লিক করে রশিদটি ডাউনলোড করুন।
এটি ছিল অনলাইনে নতুন পার্সপোটের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া। এভাবে আবেদন করার পর, পেমেন্ট করার পর। পেমেন্ট সামারি ডাউনলোড করুন। তারপর অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ডাউনলোড করবেন এবং চালান কপি ডাউনলোড করবেন। এরপর ডকুমেন্টগুলোর সাথে উপরে উল্লেখিত ডকুমেন্ট যেমন: জাতীয় পরিচয় পত্র, সার্টিফিকেট বা জব আইডি ইত্যাদি প্রিন্ট করে ফটোকপি করে একটি ফাইল তৈরি করুন। তারপর সেই ফাইলটি আপনার নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে জমা করুন। আবেদনের সময় আপনি যে পাসপোর্ট অফিসের নাম দেখতে পেয়েছেন সেখানে যেতে হবে। তারপর আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট অ্যান্ডরলমেন্ট করে ডেলিভারি স্লিপ সংগ্রহ করুন।
আরো পড়ুনঃ On arrival ভিসা কি? এবং কিভাবে পাওয়া যায়
তারপর কিছুদিনের মধ্যে আপনাকে পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য এসবি পুলিশ ফোন করে আপনার ইউটিলিটি বিলের কপি ও ডেলিভারি স্লিপ সহ আরো কিছু ডকুমেন্ট নিয়ে যেতে বলবে। আপনি সেগুলো জমা দিয়ে আসলে কিছুদিনের মধ্যে আপনার পাসপোর্টটি তৈরি হয়ে যাবে এবং আপনার ফোনে একটি এসএমএস আসবে। তারপর সে তারিখে ডেলিভারি স্লিপ সাথে নিয়ে গিয়ে আপনার পাসপোর্টটি সংগ্রহ করতে পারবেন। আশা করি, বুঝাতে পেরেছি কিভাবে নতুন পার্সপোটের জন্য আবেদন করবেন। কি কি ডকুমেন্ট লাগবে এবং কত বছরের জন্য পাসপোর্ট করলে কত টাকা ফি দিতে হবে। এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ কন্টেন্ট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে।


